কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: রবিবার, ৮ মার্চ, ২০২৬ এ ১০:৩১ AM

ইতিহাস ও কার্যাবলি

কন্টেন্ট: পাতা

“সবার জন্য মানসম্মত শিক্ষা” এ ভিশন বা রুপকল্প অর্জনের লক্ষ্যে দেশের সার্বিক শিক্ষা ব্যবস্থার নীতি ও উন্নয়নে কর্মকৌশল গ্রহণ এবং বাস্তবায়নে শিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রধান সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। ১৯৭২ সালে মার্চ মাসে সর্বপ্রথম শিক্ষা, ধর্ম ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। কাজের পরিধি বৃদ্ধি পাওয়ায় ১৯৭৪ সালের ডিসেম্বর মাসে নাম পরিবর্তন করে শিক্ষা ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় করা হয়। পরবর্তীতে ১৯৮৪ সালের মার্চ মাসে এর পুন:নামকরণ করা হয় শিক্ষা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়। ইতোমধ্যে এর বিস্তৃতি আরও বৃদ্ধি পাওয়ায় ১৯৯৩ সালের আগস্ট মাসে এটি পূর্ণাঙ্গ শিক্ষা মন্ত্রণালয় হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। পরবর্তীতে ২০১৬ সালের নভেম্বর মাসে শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে ২টি বিভাগে বিভক্ত করা হয়। একটি “মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ” এবং অপরটি “কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ”।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ মাধ্যমিক স্তর হতে উচ্চ শিক্ষা পর্যন্ত নীতি নির্ধারণী ও অন্যান্য কার্যক্রম গ্রহণ করে থাকে। এ ছাড়া শিক্ষা বিষয়ক প্রশাসন ও ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে আইন, বিধি-বিধান প্রণয়ন করে থাকে। এ বিভাগের মূল দায়িত্ব হচ্ছে আওতাধীন ২৩টি দপ্তর-সংস্থা এবং মাধ্যমিক পর্যায়ের সকল বিদ্যালয়, মহাবিদ্যালয় ও বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম তদারকি করে শিক্ষাকে মানসম্মত এবং সকলের জন্য সহজলভ্য করা।

বর্তমানে প্রাথমিক স্তর পরবর্তী জুনিয়র স্কুল ২৩৬৯টি, মাধ্যমিক বিদ্যালয় ১৮৯০৭টি, স্কুল এন্ড কলেজ ১৪৪৬টি, কলেজ ৩৩০১টি এবং ৫৬টি পাবলিক (মেডিকল বিশ্ববিদ্যালয় ০৫টি) ও ১১৩টি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম চালু রয়েছে।

এক নজরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ইতিহাস

মার্চ ১৯৭২

শিক্ষা, ধর্ম, ক্রীড়া ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়

ডিসেম্বর ১৯৭৪

শিক্ষা ও সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়

মার্চ ১৯৮৪

শিক্ষা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়

আগষ্ট ১৯৯৩

শিক্ষা মন্ত্রণালয়

নভেম্বর ২০১৬মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ

কার্যাবলি:

১. মাধ্যমিক এবং উচ্চশিক্ষা সংক্রান্ত নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন;

২. শিক্ষা ও শিক্ষা ব্যবস্থাপনার মানোন্নয়ন এবং মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক এবং উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়নে গবেষণা ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রম;

৩. নতুন শিক্ষা অবকাঠামো নির্মাণ, বিদ্যমান অবকাঠামো সংস্কার ও সম্প্রসারণে প্রকল্প প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন এবং বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন, ওপেন এডুকেশনাল রিসোর্স তৈরি;

৪. মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাক্রম প্রণয়ন এবং প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণ ও বিনামূল্যে বিতরণ;

৫. বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক নিবন্ধন ও নিয়োগ;

৬. মেধাবৃত্তিসহ মাধ্যমিক ও স্নাতক পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি প্রদান;

৭. শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ব্রডব্যান্ড সংযোগ, মাল্টিমিডিয়া শ্রেণি কক্ষে পাঠদানে আইসিটি ব্যবহার এবং শিক্ষা ব্যবস্থাপনায় আইসিটি’র বাস্তব প্রয়োগ; এবং

৮. শিক্ষা ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি।

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন